1. live@www.deshsokal.com : দেশ সকাল : দেশ সকাল
  2. info@www.deshsokal.com : দেশ সকাল :
বিশ্বজুড়ে খাদ্য উৎপাদনে বড় ধাক্কার শঙ্কা - দেশ সকাল
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আমি ব্রাজিলের সমর্থক: মোহনা বিপিইএম-এর ৯ লক্ষ সদস্য পূর্তি উপলক্ষে ঈদ মিট-আপ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত 💐 সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অনন্য আবদুল করিম সোহাগের জন্মদিন আজ 🌙 ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের খুঁটিতে আতঙ্কে বাঘাইহাট বাজার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি স্থানীয়দের রামিসা হত্যায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যু/দণ্ড পুলিশ সুপারের সঙ্গে বৈঠক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিল জুলাই ঐক্য চট্টগ্রাম অসহায় মানুষের পাশে এক নীরব যোদ্ধা, মানবতার ফেরিওয়ালা হুসাইন মানসুরি ‘বাস থেকে না নামলে আজ নির্ঘাত মারা যেতাম’ বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান নাম ‘শার্লিন খান’ 🎉 সিলেটের শিবগঞ্জে সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্ভরতার নাম “পালকি রেস্টুরেন্ট”

বিশ্বজুড়ে খাদ্য উৎপাদনে বড় ধাক্কার শঙ্কা

দেশ সকাল :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে খাদ্য উৎপাদনে বড় ধাক্কার শঙ্কা
ছবি: ইন্টারনেট

ইরান-ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে রাসায়নিক সারের সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই আন্তর্জাতিক সার চালান প্রায় পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে সারের দাম দ্রুত বেড়ে আকাশচুম্বী হতে পারে এবং তীব্র ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এর প্রভাব কৃষি উৎপাদনে সরাসরি পড়বে, ফলে আগামী দিনে বৈশ্বিক ফসল উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো টোরেও আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, সারের সংকট এমন সময় তৈরি হয়েছে যখন অনেক দেশের ফসল রোপণের নির্দিষ্ট মৌসুম চলছে। এরই মধ্যে এশিয়ার কয়েকটি দেশে বপনের উপযুক্ত সময় পেরিয়ে গেছে, ফলে তারা সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারছে না।

টোরেও আরও জানান, পরিস্থিতির কারণে বিশ্বের প্রধান খাদ্যশস্য রপ্তানিকারক দেশগুলো—যেমন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিল—তাদের কৃষি পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে পারে।

সারের অভাব মোকাবিলায় তারা গম ও ভুট্টার মতো শস্যের চাষ কমিয়ে সয়াবিনের মতো ফসলের দিকে ঝুঁকতে পারে। কারণ সয়াবিন প্রাকৃতিকভাবে মাটিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখতে সাহায্য করে।

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে থাকায় অনেক কৃষক খাদ্য ফসলের পরিবর্তে উৎপাদিত ফসল জৈব জ্বালানি (বায়োফুয়েল) তৈরিতে ব্যবহার করতে পারেন বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর ফলে গম ও সয়াবিনসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের দাম ইতোমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। চলতি বছরের শেষার্ধে এই দাম আরও বাড়তে পারে এবং আগামী বছর পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো টোরেও সতর্ক করে বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে খাদ্যপণ্যের মূল্যও বাড়বে। এতে বিশ্বজুড়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ভয়াবহ আকার নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সংকটের সমাধান না হলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খাদ্য ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধির ঝুঁকি আরও তীব্র হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।