1. live@www.deshsokal.com : দেশ সকাল : দেশ সকাল
  2. info@www.deshsokal.com : দেশ সকাল :
ট্রাম্পের হুং/কার বনাম ইরানের সহনশীলতা: অতীতের শিক্ষা থেকে পা ফেলছে তেহরান - দেশ সকাল
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আমি ব্রাজিলের সমর্থক: মোহনা বিপিইএম-এর ৯ লক্ষ সদস্য পূর্তি উপলক্ষে ঈদ মিট-আপ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত 💐 সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অনন্য আবদুল করিম সোহাগের জন্মদিন আজ 🌙 ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের খুঁটিতে আতঙ্কে বাঘাইহাট বাজার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি স্থানীয়দের রামিসা হত্যায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যু/দণ্ড পুলিশ সুপারের সঙ্গে বৈঠক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিল জুলাই ঐক্য চট্টগ্রাম অসহায় মানুষের পাশে এক নীরব যোদ্ধা, মানবতার ফেরিওয়ালা হুসাইন মানসুরি ‘বাস থেকে না নামলে আজ নির্ঘাত মারা যেতাম’ বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান নাম ‘শার্লিন খান’ 🎉 সিলেটের শিবগঞ্জে সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্ভরতার নাম “পালকি রেস্টুরেন্ট”

ট্রাম্পের হুং/কার বনাম ইরানের সহনশীলতা: অতীতের শিক্ষা থেকে পা ফেলছে তেহরান

দেশ সকাল :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া মঙ্গলবার রাত ৮টার (ইরান সময় বুধবার ভোর সাড়ে ৩টা) সময়সীমা ক্রমশ ঘনিয়ে এলেও ওয়াশিংটনের চাপের মুখে নতি স্বীকার করার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছে না ইরান। দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে বোঝা যায়, তেহরানের শাসকরা দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে সাময়িক ক্ষয়ক্ষতি বা কষ্ট সহ্য করার মনস্তাত্ত্বিক প্রস্তুতি নিয়েই এগোচ্ছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার অনেক আগেই ইরান হিসাব কষেছিল যে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা চাপ সৃষ্টি করতে পারবে। বর্তমানে সেই লক্ষ্য ছাড়িয়ে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে তারা ওয়াশিংটনকে আলোচনার টেবিলে বসানোর অবস্থানে পৌঁছেছে।

তেহরানের এই অনড় অবস্থানের পেছনে কাজ করছে বিগত কয়েক দশকের যুদ্ধের ইতিহাস। ১৯৯৯ সালে কসোভোতে ন্যাটোর হামলা, ১৯৯১ ও ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধ কিংবা ২০০৬ সালে লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার উদাহরণগুলো ইরান গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে। তারা বিশ্বাস করে, অবকাঠামো বা গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে হামলা চালিয়ে সামরিক অগ্রযাত্রাকে সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত করা গেলেও রাতারাতি কোনো যুদ্ধের ফলাফল বদলে দেওয়া সম্ভব নয়। ইরানের কাছে এই আক্রমণগুলো বড় ধরনের সংকটের চেয়ে বরং একটি ‘বিরক্তি’ হিসেবে গণ্য হচ্ছে, যা তাদের মনোবল ভাঙার জন্য যথেষ্ট নয়।

এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে বেশ কয়েকবার ইরানকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার আলটিমেটাম দিয়েও তা পিছিয়ে দিয়েছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে কেউ কেউ বিশ্বকে ‘শক্তির শাসন’ বা জোর যার মুলুক তার—এমন কঠোর নিয়মে পরিচালনার কথা বললেও, ইরান আবারও নিজের সহনশীলতার পরীক্ষা দিতে প্রস্তুত বলে মনে হচ্ছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান আসলে মার্কিনিদের দেওয়া সময়সীমা বা হুমকির তোয়াক্কা না করে নিজেদের শক্তির ওপর আস্থা রাখছে এবং বড় কোনো চুক্তিতে যাওয়ার আগে ওয়াশিংটনকে আরও বেশি চাপে ফেলার কৌশল অবলম্বন করছে। ট্রাম্পের এই সর্বশেষ ডেডলাইন পার হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।