1. live@www.deshsokal.com : দেশ সকাল : দেশ সকাল
  2. info@www.deshsokal.com : দেশ সকাল :
পোগলা ইউনিয়নের দশদার-শুনই সড়ক এখন মরণফাঁদ - দেশ সকাল
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
🎉 সিলেটের শিবগঞ্জে সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্ভরতার নাম “পালকি রেস্টুরেন্ট” বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে পলাশ মণি দাসের ‘ফুটবল যুদ্ধ’ জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার, র‌্যাম্প মডেল তারকা বুলবুল টুম্পার জন্মদিনের শুভেচ্ছা বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যজগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র শাম্মী তুলতুল দুই তরুণ উদ্যোক্তার নতুন যাত্রা: শাড়ির ব্যবসায় জুবাইদ হোসেন জিয়ান ও ইখতিয়ার উদ্দিন ঐতিহ্যবাহী বাংলা রান্নার বিশ্বজয়ী দূত হাসিনা আনছারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা আমি এই চরিত্রের জন্য তিন সপ্তাহ ধরে কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে একটিভ ছিলাম না: ইরফান রহমান মিডিয়ার এই জার্নিটা এত সহজ ছিল না আমার: নেয়ামত উল্লাহ রিয়াদ মডেলিং এর মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে ছড়িয়ে দিতে চাই: সৌরভ ফটিকছড়িবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক এমপি প্রার্থী রবিউল হাসান তানজিম

পোগলা ইউনিয়নের দশদার-শুনই সড়ক এখন মরণফাঁদ

দেশ সকাল :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

হাবিবুর রহমান সুজন।

দুর্ভোগে ৩৫ হাজার মানুষ, বর্ষার আগেই সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর

পোগলা ইউনিয়ন এর দশদার থেকে শুনই পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। খানাখন্দ, ভাঙাচোরা অংশ ও কাদায় পরিণত হওয়া এই সড়ক এখন এলাকাবাসীর কাছে যেন এক আতঙ্কের নাম। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ। স্থানীয়দের ভাষায়, এটি এখন “মরণফাঁদে” পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করেন। প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা এই সড়কটি বর্তমানে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তার বিভিন্ন অংশে পানি জমে সৃষ্টি হয় বড় বড় গর্ত। ফলে ছোট যানবাহন তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও চলাচল করতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার অধিকাংশ অংশেই পিচ উঠে গেছে। কোথাও কোথাও সৃষ্টি হয়েছে গভীর গর্ত। মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও ভ্যান চলাচলের সময় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির কোনো সংস্কার কাজ না হওয়ায় দিন দিন দুর্ভোগ বাড়ছে।
এ বিষয়ে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা শহীদ মিয়ার সঙ্গে। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,

“প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। আগে যেখানে ১০ মিনিটে যাওয়া যেত, এখন সেখানে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগে। রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে অনেক কষ্ট হয়। স্কুলের শিক্ষার্থীরাও ঠিকমতো যাতায়াত করতে পারছে না।”

তিনি আরও বলেন,
“এই বর্ষাকালে যদি দ্রুত রাস্তার কাজ না করা হয়, তাহলে পুরো সড়কই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। তখন মানুষের দুর্ভোগ আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।”

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ জানান, রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে পরিবহন চালকরাও এই পথে আসতে চান না। এতে করে কৃষিপণ্য ও প্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহনে অতিরিক্ত খরচ গুনতে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহনেও সৃষ্টি হচ্ছে চরম সংকট।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করা হোক। তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মেম্বার, চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয়দের মতে, একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের এমন বেহাল অবস্থা শুধু জনদুর্ভোগই বাড়াচ্ছে না, বরং প্রতিদিন দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলছে। তাই জনস্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি এখন সময়ের দাবি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।