1. live@www.deshsokal.com : দেশ সকাল : দেশ সকাল
  2. info@www.deshsokal.com : দেশ সকাল :
ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের খুঁটিতে আতঙ্কে বাঘাইহাট বাজার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি স্থানীয়দের - দেশ সকাল
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাপা-ইবিটির অগ্রগতি পর্যালোচনায় কর্মশালা আমি ব্রাজিলের সমর্থক: মোহনা বিপিইএম-এর ৯ লক্ষ সদস্য পূর্তি উপলক্ষে ঈদ মিট-আপ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত 💐 সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অনন্য আবদুল করিম সোহাগের জন্মদিন আজ 🌙 ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের খুঁটিতে আতঙ্কে বাঘাইহাট বাজার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি স্থানীয়দের রামিসা হত্যায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যু/দণ্ড পুলিশ সুপারের সঙ্গে বৈঠক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিল জুলাই ঐক্য চট্টগ্রাম অসহায় মানুষের পাশে এক নীরব যোদ্ধা, মানবতার ফেরিওয়ালা হুসাইন মানসুরি ‘বাস থেকে না নামলে আজ নির্ঘাত মারা যেতাম’ বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান নাম ‘শার্লিন খান’

ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের খুঁটিতে আতঙ্কে বাঘাইহাট বাজার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি স্থানীয়দের

দেশ সকাল :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

হাবিবুর রহমান সুজন।

ছবি : মো: সোহাগ

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ জেলা রাঙ্গামাটি-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা বাঘাইছড়ি। আর এই উপজেলার প্রাণকেন্দ্র ও দেশের বৃহত্তম ইউনিয়নগুলোর মধ্যে অন্যতম সাজেক ইউনিয়ন। প্রায় ৭০২ বর্গমাইল বিস্তৃত এই সাজেক আজ শুধু পাহাড়ের সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং অর্থনীতি, পর্যটন ও ব্যবসায়িক সম্ভাবনার কারণেও দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে।

এই সাজেক ইউনিয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসাকেন্দ্র হলো বাঘাইহাট বাজার। ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী বাজারটি দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি জনপদের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। একসময় কমলার জন্য বিখ্যাত ছিল সাজেক অঞ্চল। পাহাড়ি ঢালে উৎপাদিত কমলা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হতো এই বাঘাইহাট বাজারের মাধ্যমেই। সময়ের পরিবর্তনে কমলার পাশাপাশি বাঁশ, গাছ, আম, কাঁঠাল, লিচু, ঝাড়ু ফুল, আদা, হলুদসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য ও বনজ সম্পদের বিশাল বাণিজ্য গড়ে উঠেছে এখানে।

বর্তমানে সাজেক বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে পরিচিত। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের পদচারণায় প্রতিদিন মুখর থাকে এই অঞ্চল। শত শত যানবাহন এবং হাজার হাজার মানুষ প্রতিনিয়ত চলাচল করে বাঘাইহাট বাজার দিয়ে। সাজেক ভ্রমণে যাওয়া অধিকাংশ পর্যটকের জন্য এই বাজারই হয়ে উঠেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবিরতি কেন্দ্র। ফলে দিন দিন বাজারটির গুরুত্ব ও জনসমাগম আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজার বর্তমানে ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বাঘাইহাট বাজার এলাকায় স্থাপিত বিদ্যুতের বহু খুঁটি এখন অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। কোনো কোনো খুঁটির গোড়ার মাটি সরে গেছে, আবার কিছু খুঁটি একদিকে হেলে পড়ে আছে। অনেক খুঁটির অবস্থা এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ যে, যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে খুঁটিগুলোর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়ে। তীব্র বাতাস কিংবা অতিরিক্ত চাপের কারণে যদি কোনো খুঁটি ভেঙে পড়ে, তাহলে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে।

বিশেষ করে বাজার এলাকায় প্রতিদিন অসংখ্য স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও পর্যটকদের চলাচল থাকে। বিদ্যুতের তার ও খুঁটির এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা যে কোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ব্যবসায়ীরাও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের মতে, দুর্ঘটনা ঘটার আগে প্রয়োজন দ্রুত সংস্কার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সাজেকের মতো আন্তর্জাতিক পর্যটন সম্ভাবনাময় একটি অঞ্চলের অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। পর্যটন নগরী হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলে বিদ্যুতের খুঁটির এমন বেহাল অবস্থা পুরো এলাকার ভাবমূর্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

তাই এলাকাবাসী, ব্যবসায়ী, পর্যটক ও সচেতন নাগরিকদের পক্ষ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বাজার পরিচালনা কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে—অতি দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের খুঁটিগুলো অপসারণ করে নতুন খুঁটি স্থাপন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

মানুষের জীবন রক্ষা ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সময়ের দাবি। অন্যথায় যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার দায় এড়ানোর সুযোগ থাকবে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।