1. live@www.deshsokal.com : দেশ সকাল : দেশ সকাল
  2. info@www.deshsokal.com : দেশ সকাল :
পহেলা বৈশাখ আমাদের সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী - দেশ সকাল
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি মহামনি মানিকছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ, ফুল বিজু ও মারমা সম্প্রদায়ের পানিখেলা সম্পন্ন বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে ধামইরহাটে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ বঙ্গাব্দ । কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পহেলা বৈশাখ ও বাংলার সংস্কৃতি ১৪ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে আরও ৩ দিন ৫ মোটিফে সেজেছে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’, উৎসবের অপেক্ষায় চারুকলা চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়িকা মুক্তি রাত পোহালেই কৃষকের হাতে ‍উঠছে কার্ড, কারা কোথায় পাচ্ছেন ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটসের উদ্যোগে পথশিশুদের নিয়ে মানবিক অনুষ্ঠান

পহেলা বৈশাখ আমাদের সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

দেশ সকাল :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

পহেলা বৈশাখ আমাদের সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
পহেলা বৈশাখকে জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনটি প্রতি বছর নতুনের আহ্বান নিয়ে ফিরে আসে। নতুন বছরের আগমনে পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

আগামীকাল (১২ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-কে স্বাগত জানান।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি ও কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির এই সময়ে এসেও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃষক ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়।

তিনি বলেন, বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে এবং ঐক্যবোধ জাগ্রত করে। বাংলা নববর্ষ নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে। প্রকৃতির নবজাগরণ ও মানুষের অন্তরের আশাবাদ মিলিয়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাষ্ট্র ও সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ইতিমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেছে। কৃষক ও কৃষি অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকে কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচিও চালু হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটের এই সময়ে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।

নববর্ষে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে অতীতের হতাশা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিতে হবে।

শেষে তিনি দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।