1. live@www.deshsokal.com : দেশ সকাল : দেশ সকাল
  2. info@www.deshsokal.com : দেশ সকাল :
পরিবারের অত্যাচারে বড় হওয়া ছেলেটি আজ সফল মেকআপ আর্টিস্ট - দেশ সকাল
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
🎉 সিলেটের শিবগঞ্জে সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্ভরতার নাম “পালকি রেস্টুরেন্ট” বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে পলাশ মণি দাসের ‘ফুটবল যুদ্ধ’ জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার, র‌্যাম্প মডেল তারকা বুলবুল টুম্পার জন্মদিনের শুভেচ্ছা বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যজগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র শাম্মী তুলতুল দুই তরুণ উদ্যোক্তার নতুন যাত্রা: শাড়ির ব্যবসায় জুবাইদ হোসেন জিয়ান ও ইখতিয়ার উদ্দিন ঐতিহ্যবাহী বাংলা রান্নার বিশ্বজয়ী দূত হাসিনা আনছারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা আমি এই চরিত্রের জন্য তিন সপ্তাহ ধরে কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে একটিভ ছিলাম না: ইরফান রহমান মিডিয়ার এই জার্নিটা এত সহজ ছিল না আমার: নেয়ামত উল্লাহ রিয়াদ মডেলিং এর মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে ছড়িয়ে দিতে চাই: সৌরভ ফটিকছড়িবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক এমপি প্রার্থী রবিউল হাসান তানজিম

পরিবারের অত্যাচারে বড় হওয়া ছেলেটি আজ সফল মেকআপ আর্টিস্ট

দেশ সকাল :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

মো আবদুল করিম সোহাগ,
ঢাকা।

পরিবারের সবার ছোট ছেলে হিসেবে সবার আদরে বড় হওয়ার কথা ছিল রাজ এর। কিন্তু ভাগ্যের পাতাটা ছিল একদম উল্টো। নিজের ভাই এবং আত্মীয়-স্বজনদের কাছে রাজ ছিলো কেবলই অবহেলার পাত্র। সেই ছোটবেলা থেকেই ভালোবাসা আর শাসনের বদলে জুটেছে চরম দুর্ব্যবহার আর শারীরিক নির্যাতন। অভাবের সংসারে একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়েও নিজের অধিকারটুকু পাইনি; পড়াশোনার খরচ চালানো তো দূরের কথা, দুবেলা শান্তিতে খাওয়ার অধিকারটুকুও তারা কেড়ে নিতে চেয়েছিল।

একদিন তাদের অসহ্য অত্যাচার সইতে না পেরে শূন্য হাতে ঘর ছাড়ি। তখন রাজ দিশেহারা, না ছিল কোনো কাজ, না ছিল মাথা গোঁজার ঠাঁই। সেই ঘোর অন্ধকারের দিনে রাজ এর বড় বোন আর দুলাভাই দেবদূতের মতো পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। তারা শুধু রাজকে আশ্রয়ই দেননি, রাজ এর স্বপ্নগুলোকে নতুন করে বাঁচিয়ে দিয়েছেন।

সবাই যখন রাজকে অবজ্ঞা করত, তখন তার আপু আর দুলাভাই রাজকে সাহস দিয়েছেন। তাদের অকৃত্রিম সহযোগিতা আর অনুপ্রেরণায় মেকআপের কাজ শুরু করে রাজ। সেই দিনের সেই অসহায় ছেলেটি আজ নিজের কঠোর পরিশ্রম আর চোখের জলের বিনিময়ে একজন প্রফেশনাল মেকআপ আর্টিস্ট।
রাজ বলেন, আজ আমি গর্বের সাথে বলতে পারি, আমি নিজেই এখন একটি পার্লারের মালিক।
আমার আজকের এই সবটুকু অর্জনের পেছনে কারিগর আমার আপু আর দুলাভাই। তাহাদের ঋণ আমি কোনোদিন শোধ করতে পারব না। আমাকে মানুষ হিসেবে বাঁচার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ।

পরিশ্রম আর ধৈর্য থাকলে যে কেউ শূন্য থেকে শিখরে পৌঁছাতে পারে, আজ আমি তার প্রমাণ।
রাজ ধন্যবাদ জানান মহান আল্লাহ তায়ালাকে, আর প্রিয় আপু ও দুলাভাইকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।