1. live@www.deshsokal.com : দেশ সকাল : দেশ সকাল
  2. info@www.deshsokal.com : দেশ সকাল :
হাম কীভাবে ছড়ায়? - দেশ সকাল
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
🎉 সিলেটের শিবগঞ্জে সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্ভরতার নাম “পালকি রেস্টুরেন্ট” বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে পলাশ মণি দাসের ‘ফুটবল যুদ্ধ’ জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার, র‌্যাম্প মডেল তারকা বুলবুল টুম্পার জন্মদিনের শুভেচ্ছা বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যজগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র শাম্মী তুলতুল দুই তরুণ উদ্যোক্তার নতুন যাত্রা: শাড়ির ব্যবসায় জুবাইদ হোসেন জিয়ান ও ইখতিয়ার উদ্দিন ঐতিহ্যবাহী বাংলা রান্নার বিশ্বজয়ী দূত হাসিনা আনছারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা আমি এই চরিত্রের জন্য তিন সপ্তাহ ধরে কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে একটিভ ছিলাম না: ইরফান রহমান মিডিয়ার এই জার্নিটা এত সহজ ছিল না আমার: নেয়ামত উল্লাহ রিয়াদ মডেলিং এর মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে ছড়িয়ে দিতে চাই: সৌরভ ফটিকছড়িবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক এমপি প্রার্থী রবিউল হাসান তানজিম

হাম কীভাবে ছড়ায়?

দেশ সকাল :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৪ বার পড়া হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত ৯৪৭, মৃত্যু ৩
২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত ৯৪৭, মৃত্যু ৩
হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত ‘মরবিলি’ (Morbilli) ভাইরাসের কারণে হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন হামে আক্রান্ত ব্যক্তি তার আশেপাশে থাকা অন্তত ৯ থেকে ১০ জন সুস্থ মানুষকে সংক্রমিত করতে পারেন যদি তারা টিকা না নিয়ে থাকেন। সঠিক সময়ে সচেতন না হলে এই রোগটি শ্বাসকষ্ট থেকে শুরু করে মারাত্মক শারীরিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।

হাম ছড়ানোর প্রধান মাধ্যমসমূহ

হাম মূলত বাতাস এবং সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়। এর প্রধান মাধ্যমগুলো নিচে আলোচনা করা হলো-

১. বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমণ (Airborne): হামে আক্রান্ত ব্যক্তি যখন কথা বলেন, কাশি দেন বা হাঁচি দেন, তখন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণা (Droplets) বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এই ভাইরাস বাতাসে প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি চলে যাওয়ার পরও সেই স্থানে থাকা সুস্থ ব্যক্তি নিঃশ্বাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারেন।

২. সরাসরি সংস্পর্শ: আক্রান্ত ব্যক্তির নাক বা মুখ থেকে নিঃসৃত তরল যদি সুস্থ কোনো ব্যক্তির হাতে বা শরীরে লাগে, তবে সেখান থেকেও ভাইরাস ছড়াতে পারে। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত রুমাল, তোয়ালে বা কাপড় সরাসরি ব্যবহারের মাধ্যমেও সংক্রমণ ঘটার সম্ভাবনা থাকে।

৩. স্পর্শ করা পৃষ্ঠতল (Contaminated Surfaces): ভাইরাসযুক্ত ড্রপলেটগুলো যদি কোনো টেবিল, দরজার হাতল বা আসবাবপত্রের ওপর পড়ে, তবে সেখানেও এটি বেশ কিছুক্ষণ সক্রিয় থাকে। সেই স্থানে হাত দেওয়ার পর নাকে বা মুখে হাত দিলে সুস্থ ব্যক্তিও আক্রান্ত হতে পারেন।

সংক্রমণের সময়সীমা

হামের একটি বিশেষ দিক হলো, শরীরে লালচে দানা বা র‍্যাশ বের হওয়ার ৪ দিন আগে থেকেই আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যের শরীরে ভাইরাস ছড়াতে শুরু করেন। আবার র‍্যাশ বের হওয়ার পর পরবর্তী ৪ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত তিনি সংক্রামক থাকেন। অর্থাৎ, রোগী নিজে বোঝার আগেই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

প্রতিরোধের উপায়

হাম থেকে বাঁচার একমাত্র এবং কার্যকর উপায় হলো এমএমআর (MMR) টিকা গ্রহণ করা। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করা জরুরি। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে টিকার ডোজ সময়মতো সম্পন্ন করা অত্যন্ত আবশ্যক।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

তীব্র জ্বর, শুকনো কাশি, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে ছোট ছোট লালচে দানা দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পুষ্টিকর খাবার এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম এই রোগ থেকে দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।