1. live@www.deshsokal.com : দেশ সকাল : দেশ সকাল
  2. info@www.deshsokal.com : দেশ সকাল :
এভারেস্টে প্রতা/রণা: পর্যটকদের বি/ষ খাইয়ে ১৫০ কোটি টাকার বিমা জালি/য়াতি - দেশ সকাল
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
🎉 সিলেটের শিবগঞ্জে সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্ভরতার নাম “পালকি রেস্টুরেন্ট” বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে পলাশ মণি দাসের ‘ফুটবল যুদ্ধ’ জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার, র‌্যাম্প মডেল তারকা বুলবুল টুম্পার জন্মদিনের শুভেচ্ছা বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যজগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র শাম্মী তুলতুল দুই তরুণ উদ্যোক্তার নতুন যাত্রা: শাড়ির ব্যবসায় জুবাইদ হোসেন জিয়ান ও ইখতিয়ার উদ্দিন ঐতিহ্যবাহী বাংলা রান্নার বিশ্বজয়ী দূত হাসিনা আনছারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা আমি এই চরিত্রের জন্য তিন সপ্তাহ ধরে কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে একটিভ ছিলাম না: ইরফান রহমান মিডিয়ার এই জার্নিটা এত সহজ ছিল না আমার: নেয়ামত উল্লাহ রিয়াদ মডেলিং এর মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে ছড়িয়ে দিতে চাই: সৌরভ ফটিকছড়িবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক এমপি প্রার্থী রবিউল হাসান তানজিম

এভারেস্টে প্রতা/রণা: পর্যটকদের বি/ষ খাইয়ে ১৫০ কোটি টাকার বিমা জালি/য়াতি

দেশ সকাল :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

হিমালয়ের এভারেস্ট অঞ্চলে বিদেশি পর্যটকদের টার্গেট করে ভয়ংকর এক বিমা জালিয়াতির চিত্র সামনে এসেছে। খাবারে বিষাক্ত উপাদান মিশিয়ে পর্যটকদের অসুস্থ করে পরে জরুরি হেলিকপ্টার উদ্ধারের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে।

নেপাল পুলিশের সেন্ট্রাল ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো জানায়, এই জালিয়াতির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় ১৫০ কোটির বেশি।

তদন্তে উঠে এসেছে, চক্রটির শিকড় বিস্তৃত।

এতে শেরপা গাইড, হেলিকপ্টার অপারেটর, হাসপাতাল ও ল্যাবরেটরির কর্মকর্তারাও জড়িত।
তদন্তকারীরা জানান, পরিকল্পিতভাবে এই জালিয়াতি পরিচালিত হতো। প্রথমে পর্যটকদের খাবারে বেকিং সোডা, কাঁচা মুরগির মাংস এমনকি ইঁদুরের বিষ্ঠা পর্যন্ত মিশিয়ে দেওয়া হতো। এতে পর্যটকদের শরীরে বমি ভাব, মাথাব্যথা ও দুর্বলতা দেখা দিত, যা উচ্চতাজনিত অসুস্থতার লক্ষণের মতোই।

এরপর গাইডরা পর্যটকদের ভয় দেখিয়ে দ্রুত হেলিকপ্টার উদ্ধারে রাজি করাতেন। নিচে নামানোর পর শুরু হতো মূল জালিয়াতি। অনেক ক্ষেত্রে সুস্থ পর্যটকদেরও ‘উদ্ধার’ দেখিয়ে বিমা কোম্পানির কাছে আলাদা আলাদা বিল পাঠানো হতো।

নেপাল পুলিশের তথ্যমতে, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ৪ হাজার ৭৮২ জন আরোহী এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

ইতোমধ্যে ৩০০টির বেশি ভুয়া উদ্ধার অভিযানের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এই ঘটনায় ৩৩ জনের একটি তালিকা তৈরি করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ট্রেকিং কোম্পানি, হেলিকপ্টার অপারেটর এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রয়েছে।

নেপাল পুলিশ এই ঘটনাকে শুধু আর্থিক জালিয়াতি নয়, দেশের মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ওপর বড় আঘাত হিসেবে দেখছে।

এর আগে ২০১৮ সালেও একই ধরনের কেলেঙ্কারি সামনে এসেছিল।
সিআইবি প্রধান মনোজ কুমার কেসি বলেন, অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণেই এ ধরনের জালিয়াতি বিস্তার লাভ করেছে।

এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক বিমা কোম্পানিগুলো নেপালকে কাভারেজ তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। এতে দেশটির পর্যটন খাত বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

নেপাল টুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে প্রতিটি উদ্ধার অভিযান কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পর্যটকদের গাইড বা কোম্পানি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: পিপল ডট কম

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।