হাবিবুর রহমান সুজন
বর্তমান সময়ে যেখানে অনেক মানুষ শুধুমাত্র নিজের স্বার্থ নিয়েই ব্যস্ত, সেখানে কিছু মানুষ আছেন যারা মানবতার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন নীরবে, নিঃস্বার্থভাবে। তেমনই একজন মানবিক ব্যক্তিত্ব হলেন হুসাইন মানসুরি। তিনি শুধু একজন সামাজিক কর্মী নন, বরং অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এক অনন্য নাম। মানুষের দুঃখ-কষ্ট নিজের মনে ধারণ করে সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই যেন তাঁর জীবনের প্রধান লক্ষ্য।
হুসাইন মানসুরি মানবতাকে নিজের জীবনের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় হচ্ছে মানুষ হওয়া। তাই ধর্ম, বর্ণ কিংবা জাতির ভেদাভেদ ভুলে তিনি সবসময় বিপদগ্রস্ত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসেন। কেউ ক্ষুধার্ত থাকলে তার জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা, অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার খরচ বহন করা, শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া কিংবা অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো—সব ক্ষেত্রেই তাঁর আন্তরিকতা ও মানবিকতা স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।
সমাজের অনেক অসহায় মানুষ আজ তাঁর কারণে নতুনভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে। অনেক দরিদ্র পরিবার তাঁর সহায়তায় ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি মানবিক বার্তা ছড়িয়ে মানুষকে সাহায্যের জন্য উদ্বুদ্ধ করে চলেছেন। তাঁর প্রতিটি কাজ মানুষকে শেখায়—মানবতার চেয়ে বড় কোনো ধর্ম নেই।
হুসাইন মানসুরি কখনো প্রচারের জন্য কাজ করেন না। তিনি বিশ্বাস করেন, সত্যিকারের সাহায্য সেই যা মানুষের হৃদয়ে শান্তি এনে দেয়। তাই নীরবে, নিভৃতে তিনি মানবতার সেবা করে যাচ্ছেন। তাঁর এই মানবিক কর্মকাণ্ড তরুণ সমাজের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। অনেক যুবক তাঁর কাজ দেখে সমাজসেবায় এগিয়ে আসতে উৎসাহ পাচ্ছে।
আজকের সমাজে হুসাইন মানসুরির মতো মানুষের খুব প্রয়োজন। কারণ মানবিক মানুষরাই সমাজকে সুন্দর ও শান্তিময় করে তোলে। তিনি প্রমাণ করেছেন, একজন মানুষ চাইলে নিজের অবস্থান থেকে সমাজের জন্য অনেক কিছু করতে পারেন। তাঁর মতো মানবতার ফেরিওয়ালারা পৃথিবীকে আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য করে তোলেন।
পরিশেষে বলা যায়, হুসাইন মানসুরি শুধুমাত্র একটি নাম নয়, তিনি মানবতা, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার প্রতীক। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই যেন তাঁর সবচেয়ে বড় আনন্দ। মানবতার এই যোদ্ধার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।